Results for স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য

যেসব কারণে স্মার্টফোন গরম হয়, জেনে নিন সমাধান

03:13


প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে প্রায় সবাই স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। তবে স্মার্টফোনের অন্যতম একটি সমস্যা হলো- ব্যবহারের মাঝখানে খুবই গরম হয়ে যায়। স্মার্টফোন গরম হওয়ার বেশ কিছু কারণ আছে। তবে অতিরিক্ত গরম বিপদের কারণ হতে পারে। তাই আমাদের স্মার্টফোন অতিরিক্ত গরম হবার কারণ এবং সমাধান জানা দরকার।

কি পরিমান গরম হওয়া স্বাভাবিক:
আপনার ফোন কম দামি বলে বেশি গরম হয়, তা ঠিক নয়। স্বাভাবিকভাবে স্মার্টফোন ৩৫-৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত গরম হতে পারে। তবে স্ট্যান্ড বাই মোডেও যদি ফোনটি ৩৫-৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত গরম হয় তবে বুঝবেন আপনর ফোনে সমস্যা আছে।

ব্যাটারি:
মোবাইল কম্পানিগুলো বর্তমানে স্মার্টফোন দিন দিন পাতলা করছে। তবে তার তুলনায় ব্যাটারির প্রযুক্তি তেমন উন্নত হয়নি। ব্যাটারি যত বেশি দুর্বল হবে ফোন তত বেশি তাপ উৎপন্ন করবে। ব্যাটারি চার্জ নেওয়ার সময় অথবা ডিচার্জ হওয়ার সময়েও ফোন বেশি গরম হয়ে থাকে।

প্রসেসর:
স্মার্টফোন গরম হওয়ার একটি করণ হচ্ছে প্রসেসর গরম হওয়া। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন স্মার্টফোনের মূল অঙ্গ হচ্ছে প্রসেসর। প্রসেসর এমন একটি ডিভাইস যা সবসময় কাজ করে থাকে। আপনি ফোন ব্যবহার করেন আর নাই করেন। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইলেকট্রন দিয়ে প্রসেসর তৈরী হয়ে থাকে। প্রসেসর স্মার্টফোনের বডির সাথে লাগানো থাকে যার ফলে তাপ অনুভব হয়।

দুর্বল নেটওয়ার্ক:
ফোন গরম হওয়ার আরেকটি করণ হচ্ছে দুর্বল নেটওয়ার্ক। আপনার ফোনে যদি নেটওয়ার্ক দুর্বল থাকে তখন সিগনাল যায় আর আসে। আবার ওয়াইফাই ব্যবহারে সিগন্যালের জন্য অনেক বেগ পেতে হয়। দুর্বল নেটওয়ার্কের জন্য ফোনে বেশি চাপ পরে, যার ফলে স্মার্টফোন অত্যাধিক গরম হয়ে থাকে।

স্মার্টফোন অতিরিক্ত গরম থেকে মুক্তির উপায়:
সবসময় খেয়াল রাখবেন যে ফোনে যেন চার্জ থাকে। একসাথে বেশি অ্যাপস চালু করে রাখবেন না। ফোনের অতিরিক্ত অ্যাপস ব্যাকগ্রাউন্ডে বেশি জায়গা নিয়ে নিচ্ছে কিনা সে দিকে খেয়াল রাখুন। স্মার্টফোন বেশি ব্যবহার করলে বা ফোনে অতিরিক্ত গেমস খেললে গরম হয় এটা একেবারেই ঠিক নয়।

র‌্যাম ও ক্যাশ মেমোরি সবসময় পরিস্কার রাখুন। অপ্রয়োজনীয় ম্যাসেজ ডিলিট করুন। ফোনে কোন অ্যানিমিশন চালু থাকলে বন্ধ করুন। ফোনে এমন কভার ব্যবহার করুন যেন কভারটি চামরার হয়। বাহিরের তাপে যেন ফোন গরম না হয়ে যায় সেই দিকে খেয়াল রাখুন।

সবসময় ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। পাশাপাশি, সবসময় ডেটা চালু করে রাখা উচিত নয়।

তথ্যসূত্র :- বিডি প্রতিদিন  

যেসব কারণে স্মার্টফোন গরম হয়, জেনে নিন সমাধান যেসব কারণে স্মার্টফোন গরম হয়, জেনে নিন সমাধান Reviewed by khokan on 03:13 Rating: 5

অপারেশন থিয়েটারে প্রায় সকলেই সবুজ বা নীল পোশাক পরেন কেন জানেন?

11:32

সজ্ঞানে অপারেশন থিয়েটারে ঢুকেছেন কখনও? এ প্রশ্নের উত্তরে অনেকেই বলবেন ‘হ্যাঁ’। তবে যাঁদের উত্তর ‘না’, তাঁরাও বিভিন্ন ডেইলি সোপ বা চলচ্চিত্রের দৌলতে অপারেশন থিয়েটার ভেতরের চেহারা বা পরিবেশ সম্পর্কে অবগত। অপারেশন থিয়েটার মানেই মাথার উপর ছাদ থেকে ঝুলে থাকা বড় বড় উজ্জ্বল আলো, অপারেশন টেবিলের পাশে রোগীর মাথার কাছে কয়েকটা বড় মেশিন, মনিটর আর সবুজ বা নীল পোশাক পরা একদল চিকিত্সক। সবুজ বা নীল পোশাক মানে, একেবারে মাথার সার্জিক্যাল ক্যাপ, মুখের মাস্ক থেকে শুরু করে গায়ে চড়ানো অ্যাপ্রন পর্যন্ত সবই এক রঙের। এমনকি রোগীর বিছানার বা গায়ে দেওয়া চাদর, সবই হয় সবুজ নয়তো নীল রঙের। কিন্তু জানেন কেন অপারেশন থিয়েটারের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে নীল বা সবুজ রং? কখনও ভেবে দেখে কেনও সবুজ বা নীল রংই ব্যবহার করা হয় অপারেশন থিয়েটারে?

এই রং বাছার নেপথ্যে রয়েছে কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সবুজ রং চোখের জন্য উপকারী, নীল রং চোখের পক্ষে আরামদায়ক। আর লাল রং চোখের জন্য ক্ষতিকর। অপারেশন থিয়েটার মানেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটা-ছেড়া আর রক্ত! দীর্ঘ ক্ষণ একটানা লাল রক্ত দেখতে দেখতে অপারেশন থিয়েটারে থাকা চিকিৎসক-নার্সদের চোখ ধাঁধিয়ে যায়, সব জায়গাতেই লালচে ছোপ দেখেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর জন্য দায়ী অপটিক্যাল ইলিউশন বা দৃষ্টি ভ্রম। এই দৃষ্টি ভ্রমের ফলে অস্ত্রোপচার চালিয়ে যেতে অসুবিধা হয়। তখন চারপাশের ও পোশাকের সবুজ বা নীল রং চোখকে আরাম দেয়। আর অপটিক্যাল ইলিউশন বা দৃষ্টি ভ্রমের প্রভাব প্রশমিত করে।

কিন্তু কেন লাল রং থেকেই অপটিক্যাল ইলিউশন বা দৃষ্টি ভ্রম তৈরি হয়, সবুজ বা নীল রং থেকে হয় না কেন? বিশ্বের তাবড় চক্ষু বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের চোখের কোষ প্রধানত তিন রকম রঙের হয়, লাল, সবুজ ও নীল। চোখের এই রঙিন কোষের সংখ্যা প্রায় ৬০-৭০ লক্ষ যার মধ্যে ৪৫ শতাংশই সবুজ রঙের। তাই সবুজ রং মানুষের চোখের পক্ষে আরামদায়ক। লাল রঙের কোষের সংখ্যা সবচেয়ে কম থাকায় এই রং একটানা চোখের সামনে থাকলে অপটিক্যাল ইলিউশন বা দৃষ্টি ভ্রমের মতো সমস্যা তৈরি হয়।

সৌজন্যে :- জি২৪ঘন্টা zee24ghanta

অপারেশন থিয়েটারে প্রায় সকলেই সবুজ বা নীল পোশাক পরেন কেন জানেন? অপারেশন থিয়েটারে প্রায় সকলেই সবুজ বা নীল পোশাক পরেন কেন জানেন? Reviewed by khokan on 11:32 Rating: 5

রোগীর কাছে এমবিবিএস,মহকুমাশাসক পাশে:

22:48

রোগীর কাছে এমবিবিএস মহকুমাশাসক
পাশে: সাতুড়ি গ্রামের উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আকাঙ্ক্ষা ভাস্কর।

জেলাশাসক অলকেশপ্রসাদ রায় বলেন, ‘‘আকাঙ্ক্ষা ছুটির দিনে বসে না থেকে চিকিৎসক হিসাবে রোগী দেখছেন। এটা অত্যন্ত ইতিবাচক দিক।”

বর্ষায় পুকুরে নেমে রোগ বাঁধালেই ইঞ্জেকশন দিয়ে দেব! স্টেথোস্কোপ কাঁধে নিয়ে বড় বড় চোখ করে ছোটদের তিনি এ ভাবে মিথ্যা ভয় দেখালেন। আবার অনেকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে গিয়ে পুষ্টিগত সমস্যা নজরে আসায় উদ্বিগ্নও হলেন। শনিবার সাঁতুড়ি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আড়াই ঘণ্টা ধরে ৪৫ জন রোগীকে তিনি দেখলেন। রঘুনাথপুরের নতুন মহকুমাশাসক আকাঙ্ক্ষা ভাস্করকে এ দিন সম্পূর্ণ অন্য ভূমিকায় দেখলেন বাসিন্দারা।

কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএসের শেষ বছরেই আইএএস-র পরীক্ষায় বসে পড়েছিলেন আকাঙ্ক্ষা। পাস করে প্রশিক্ষণ শেষে সটান প্রশাসনের অন্দরে। কিন্তু, সময় পেলেই ছুটে গিয়েছেন রোগীদের কাছে। মুসৌরিতে প্রশিক্ষণের সময় সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আশপাশের গ্রামে স্বাস্থ্য শিবিরেও গিয়েছেন। এ রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরে ঢুকে গ্রামাঞ্চলে চিকিৎসকের অভাব দেখেন। মাস দেড়েক আগে রঘুনাথপুরের মহকুমাশাসক হিসেবে কাজে যোগ দিয়েই তাই তিনি জেলাশাসককে জানিয়েছিলেন, তিনি ছুটির দিনে রোগী দেখতে চান।

জেলাশাসক অলকেশপ্রসাদ রায় বলেন, ‘‘আকাঙ্ক্ষা ছুটির দিনে বসে না থেকে চিকিৎসক হিসাবে রোগী দেখছেন। এটা অত্যন্ত ইতিবাচক দিক।” জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অনিলকুমার দত্তের কথায়, ‘‘ভাল চিকিৎসকেরা যে দায়িত্বেই থাকুন না কেন, রোগীদের প্রতি তাঁদের আলাদা একটা টান থাকে।’’ আকাঙ্ক্ষার কথায়, ‘‘স্বাস্থ্য দফতরে কাজ করার সময়েই দেখেছি চিকিৎসকের খুবই অভাব রয়েছে। তাই এসডিও-র দায়িত্ব নেওয়ার সময়েই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম ছুটির দিনে রোগী দেখব।’’

এই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরেই চিকিৎসকের অভাব ছিল। বন্ধ অন্তর্বিভাগ। দিন সাতেক আগে ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে এক চিকিৎসককে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু, রোগীর চাপ তুলনায় বেশি। শনিবার নতুন ডাক্তার এসেছেন জেনে অনেকই ভিড় করেন। সাঁতুড়ি গ্রামের সোনামণি বড়াল বলেন, ‘‘এডাক্তার রোজ পাওয়া যায় না। নতুন ডাক্তার এসেছেন শুনে চলে এলাম।’’ বছর বারোর কিশোর শুকদেব মণ্ডলের কানে কাগজের টুকরো গিয়েছিল। স্বাস্থ্যকর্মীদের ডেকে আকাঙ্ক্ষা সেই কাগজের টুকরো বার করেন।

রোগী দেখার ফাঁকেই এলাকার জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিয়ে এই এলাকায় সমস্যা আছে। অনেকেরই দেখছি চর্মরোগ রয়েছে। বর্ষার পুকুরের জল থেকে নানা রোগ ছড়ায় বলে সবাইকেই এই সময়ে পুকুরে স্নান করতে বারণ করেছি।’’ সাঁতুড়ির বাসিন্দা তথা জেলার প্রাক্তন উপ মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শ্যামলাল হেমব্রম বলেন, ‘‘রোগ ধরার পাশাপাশি তিনি জনস্বাস্থ্য সম্পর্কেও রোগীদের সচেতন করছিলেন।’’

রোগীর কাছে এমবিবিএস,মহকুমাশাসক পাশে: রোগীর কাছে এমবিবিএস,মহকুমাশাসক
পাশে: Reviewed by khokan on 22:48 Rating: 5

বাসে-গাড়িতে উঠলেই মাথাঘোরা, বমি? কোন সহজ পদ্ধতি মানলে এড়াতে পারবেন মোশন সিকনেস?

10:37

ট্যাক্সি বা বাসে উঠলেই মহা বিপদ! কাজের সূত্রে বাড়ির বাইরে বেরোতেই হবে। বাসে-ট্রামেও চড়তে হবে। কিন্তু যেই গাড়ি দ্রুত চলতে শুরু করে ঝামেলা তখনই| হয় মাথার যন্ত্রণা নয় গা গুলিয়ে বমি শুরু| এই সমস্যা সাত থেকে সত্তরের| কীভাবে কাটাবেন এই সমস্যা?
তার আগে জেনে নিন কেন হয় মোশন সিকনেস—
কেন হয়
মানুষের শরীরে তিনটি অংশ গতি নির্ণয় করতে পারে| এবং সেই তথ্য মস্তিষ্কে পৌছে দেয়। এই তিনটি অংশ– চোখ, অন্তঃকর্ণ এবং ত্বক। এদের ‘সেন্সরি রিসেপ্টর‘ বলা হয়। যখনই এই তিন সেন্সরের মধ্যে কোনও অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়, তখনই আমরা মোশন সিকনেসে ভুগি।
হলে কী হয়
১. গা গোলায়|
২. ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে যায়|
৩. ঘাম দেখা দেয়|
৪. বমি হয়|
৫. ঝিমুনি আসে|
৬. মাথা যন্ত্রণা করে|
৮. লালা নিঃসরণ বেশি হয়|
৯. ভারসাম্য বজায় রাখতে না পেরে পড়ে যায় অনেকে|
কারা আক্রান্ত হন
১. পুরুষদের থেকে মহিলারা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন|
২. ২-১২ বছরের বাচ্চাদের বেশি ভুগতে দেখা যায়|
৩.ঋতুস্রাবের সময় মহিলাদের এই সমস্যা বেশি দেখা যায়|
৪. কানে সমস্যা থাকলে এই অসুবিধে হতে পারে|
৫. মাইগ্রেন যাঁদের আছে তাঁরাও এতে ভোগেন|
৬. যাঁরা মোবাইলে সারাক্ষণ ডুবে থাকেন তাঁরাও এই সমস্যায় আক্রান্ত হন|
এড়াতে কী করবেন
১. গাড়িতে বসে সামনের দিকে না তাকিয়ে রাস্তার দিকে বরং তাকান|
২. বাস, গাড়ি বা প্লেনে বসে বিপরীত গতির দিকে না তাকানোই ভালো|
৩. তেলের গন্ধ কাটাতে গাড়িতে ভাল গন্ধের এয়ারফ্রেশনার ব্যবহার করতে পারেন।
৪. নিজের গাড়িতে থাকলে একটানা না চলে মাঝপথে কিছুক্ষণের জন্য বিরতি নিতে পারেন| খানিকক্ষণ খোলা হাওয়ায় ঘুরে আবার গাড়িতে চড়ুন|
৫. গাড়িতে মোবাইল ফোন বা ট্যাব ব্যবহার না করাই ভাল।
৬. যে সিটে কম ঝাঁকুনি, বসার জন্য তেমন সিট বেছে নিন| পিছনে বেশি ঝাঁকুনি লাগলে বসুন সামনের সিটে| জানলার পাশে বসুন যাতে হাওয়া পান বেশি| বাসে জানলার পাশে বসতে না পারলে হাত পাখা সঙ্গে রাখুন|
৭. বমি বা মাথাঘোরা আটকাতে জোরে জোরে শ্বাস নিয়ে আস্তে আস্তে ছাড়তে থাকুন, যতক্ষণ না সমস্যা কমছে।
৮. হালকা মিউজিক বা গান শোনা যেতে পারে। নীচু গলায় নিজের সঙ্গে কথা বললেও মোশন সিকনেস সামলানো যায়|
৯. রাস্তায় বেরোনোর আগে হালকা খেয়ে বেরোন| ভাজাভুজি, মশলা খাবার একেবারেই খাবেন না| এতে বমি হবে বেশি| গা গোলাবেও বেশি|
১০. মদ্যপান করে গাড়িতে উঠবেন না| এতে সমস্যা বাড়বে|
১১. বাসের মধ্যে দুর্গন্ধ এড়াতে সঙ্গে লেবুর খোসা রাখুন| যার গন্ধ শুঁকলে গা গোলানো বা বমি ভাব কমে|
১২. এতেও সমস্যা এড়াতে না পারলে ডাক্তারবাবুর পরামর্শ নিন| তাঁর বলা ওষুধ বেরোনোর আধঘন্টা আগে খেলে উপকার পাবেন|

বাসে-গাড়িতে উঠলেই মাথাঘোরা, বমি? কোন সহজ পদ্ধতি মানলে এড়াতে পারবেন মোশন সিকনেস? বাসে-গাড়িতে উঠলেই মাথাঘোরা, বমি? কোন সহজ পদ্ধতি মানলে এড়াতে পারবেন মোশন সিকনেস? Reviewed by khokan on 10:37 Rating: 5

যে ১০ টি নিশ্চিত লক্ষণ দেখে বুঝবেন কিডনিতে পাথর হয়েছে

23:47

যে ১০ টি নিশ্চিত – কিডনিতে পাথর হলে মূত্র নালীতে প্রচণ্ড যন্ত্রণা হয়। অনেক সময়ই আমরা কিডনিতে পাথর হওয়ার লক্ষণগুলিকে অবহেলা করি। কিডনিতে পাথরের কিছু লক্ষণ হল জ্বর, বমি ভাব, তলপেটে যন্ত্রণা, মূত্রের রঙ পরিবর্তন, ঘন ঘন মূত্র ত্যাগ, অল্প পরিমাণে মূত্র এবং উগ্র গন্ধ। প্রাকৃতিক উপায়ে পাতার রসের থেকে এর চিকিৎসা সম্ভব হলেও এই অসুখের প্রথম ধাপেই এর চিকিৎসা করিয়ে নেওয়া সব থেকে ভাল। ছোট পাথরগুলি অনেক সময়ই নজরে আসে না কিন্তু পরে সেগুলি বড় আকার ধারণ করে। আসুন দেখে নেওয়া যাক কিডনিতে পাথর হওয়ার দশটি লক্ষণ।

১. শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব: কিডনিতে পাথর ক্যালসিয়ামের জন্যই হয়। যে সব লোকের শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা অল্প তাদেরই কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা সব থেকে বেশি। কারণ ক্যালসিয়ামই অক্সালেটকে মূত্রনালিতে ঢুকে পাথর তৈরি হওয়া থেকে বাধা দেয়।

২. তলপেট বা কোমরে যন্ত্রণা: তলপেট বা কোমরে যন্ত্রণা কিডনিতে স্টোনের প্রথম লক্ষণ। সঠিক সময় চিকিৎসা না করালে এই যন্ত্রণা বাড়তে থাকবে। খুব যন্ত্রণা হলে অবিলম্বে ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত।

৩. মূত্রের রঙ পরিবর্তন: যখন কিডনির পাথর মূত্রনালির ভিতর দিয়ে যায় তখন অনেক সময়ই সেটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। এইরকম ঘটলে মূত্রের রঙ বদলে যায় এবং ঝাঁঝালো গন্ধ বেড়োয়।

৪. ঘনঘন এবং যন্ত্রণাদায়ক মূত্র ত্যাগ: যখন কিডনির পাথর ব্লাডারে পৌঁছায় তখন ব্লাডার অনেক সময়ই ফুলে ওঠে। এর ফলে যন্ত্রণা ও ঘনঘন মূত্র ত্যাগ হতে পারে। তবে এটা অন্য রোগের লক্ষণও হতে পারে যেমন মূত্রনালিতে সংক্রমণ বা যৌন রোগ।

৫. জ্বর ভাব: কিডনির পাথর মূত্রনালিতে আঁটকে গেলে জ্বর, কাশি, কান্তি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মাঝেমধ্য বমি বমি ভাবও আস্তে পারে।

৬. মূত্রের সাথে রক্ত বেরানো: মূত্রের সাথে রক্ত বেরানোকে হেমাচুরিয়া বলে। কিডনিতে পাথর হলে এরকম হতে পারে। এর ফলে মূত্রের রঙ অনেক সময়ই কালচে হয়।

৭. বংশে যদি কিডনিতে পাথরের ইতিহাস থাকে: আপনার পরিবারের যদি কারুর কিডনিতে পাথর হয়ে থাকে তাহলে আপনার কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আপনার বাবা মায়ের যদি কিডনি পাথর হয়ে থাকে তাহলে আপনার অক্সালেটকে নিবিষ্ট করার ক্ষমতা কমে যায়।

৮. ইনফ্লামেটরি বাওয়েল ডিজিজ: যদি আপনি আই.বি.ডি, ক্রোহন ডিসিজে ভোগেন তাহলে আপনার কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। এইরকম রোগে ভুগলে ডাইরিয়া হতে পারে যার ফলে ডিহাইড্রেসন হতে পারে এবং সেখান থেকে কিডনিতে পাথর হয়।

৯. রিকারেন্ট ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশন: রিকারেন্ট ইউ.টি.আই এর ফলে কিডনিতে পাথর হতে পারে কারণ সেক্ষেত্রে আপনার মূত্রনালিতে পাথর আঁটকে যেতে পারে। যদি আপনার এরকম হয়ে থাকে তাহলে আপনার শীঘ্র ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত।

১০. রেচক ঔষধ সমস্যা: অতিরিক্ত রেচক ঔষধ ব্যবহার শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যতা কমে যার ফলে পুষ্টি শোষণ করার ক্ষমতা রোধ হতে পারে। ফলে কিডনিতে পাথর হতে পারে। রেচক ঔষধ ব্যবহারে ডিহাইয়েড্রেশন হতে পারে যা কিডনি পাথরের সৃষ্টি করতে পারে।

যে ১০ টি নিশ্চিত লক্ষণ দেখে বুঝবেন কিডনিতে পাথর হয়েছে যে ১০ টি নিশ্চিত লক্ষণ দেখে বুঝবেন কিডনিতে পাথর হয়েছে Reviewed by khokan on 23:47 Rating: 5

সিগারেট খেয়ে চার ঘণ্টা বাচ্চার কাছে যাবেন না

10:14

সৌজন্যে:-www.anandabazar.com

সর্দিকাশি থেকে শুরু করে দাঁতের ক্ষয়, এমনকী হজমের সমস্যা বা ডায়ারিয়া, বাচ্চাদের নানা অসুখবিসুখের অন্যতম কারণ সিগারেট-সহ তামাকের ধোঁয়া। এমনকী, এক বছরের কমবয়সী শিশুদের আচমকা মৃত্যুর (Sudden infant death syndrome বা SIDS) অন্যতম কারণ হতে পারে বাবা অথবা বাড়ির বড়দের ধূমপান। বিশ্ব তামাক বিরোধী দিবসের আগে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ পল্লব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বললেন সুমা বন্দ্যোপাধ্যায়

 

প্রতীকী ছবি।

সিগারেট না টানলেও ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে। এ যেন অন্যের দোষে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে দেওয়া। সিগারেট-বিড়ির ধোঁয়া প্রবেশ করে শিশুদের শরীরে নানা অসুখবিসুখের সঙ্গে ক্যানসার ডেকে আনতে পারে। সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে বড় হরফে ক্যানসারের কারণ লেখা থাকলেও ধূমপায়ীদের কেউই খুব একটা গা করেন না। তাঁদের নিজেদের ক্ষতির সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থ করে তুলছেন বাচ্চাদের।

 

ধোঁয়ায় আছে ৭,০০০ রাসায়ানিক!

দু’চারটে নয়, সাত হাজার ক্ষতিকর রাসায়ানিক পাওয়া গিয়েছে সিগারেট-বিড়ির ধোঁয়ায়। এদের মধ্যে ১০০টি অত্যন্ত ক্ষতিকর। ৭০টি কার্সিনোজেনিক, অর্থাৎ ক্যানসার ডেকে আনতে সিদ্ধহস্ত। হবু মায়েদের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা থাকলে গর্ভস্থ ভ্রূণ ভয়ানক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক সময় গর্ভস্থ শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই সন্তান বেরিয়ে আসে। হবু মায়ের সামনে যদি বাড়ির অন্য সদস্যেরা সিগারেট টানেন, তা হলেও বাচ্চার সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনকী, অন্য ঘরে সিগারেটের ধোঁয়া টানলেও সন্তানসম্ভবার শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি থাকে।

 

সাইড স্ট্রিম বেশি ক্ষতিকর

সিগারেটের ধোঁয়া দু’ভাবে অধূমপায়ীর শরীরে প্রবেশ করে। সিগারেট টেনে ধোঁয়া ছাড়া হলে তা যখন অন্য জন বাতাসের সঙ্গে টেনে নেন, তাঁকে বলে মেন স্ট্রিম। আর সিগারেট জ্বালিয়ে রাখা আছে, তার থেকে ধোঁয়া সরাসরি বাতাসের সঙ্গে টেনে নিলে তাকে বলে সাইড স্ট্রিম। এই ধোঁয়ায় আরও বেশি কার্সিনোজেনিক, অর্থাৎ ক্যানসার উৎপাদনকারী বিষাক্ত রাসায়ানিক থাকে। অত্যন্ত ক্ষতিকর এই ধোঁয়া ছোটদের ভয়ানক শারীরিক ক্ষতি করে। বড়রাও ক্ষতিগ্রস্ত হন।

 

শ্বাসনালী ও ফুসফুসের কষ্ট

লক্ষ্য করে দেখবেন, বাচ্চারা খুব দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়। তাই সিগারেট-বিড়ির ধোঁয়া চট করে ওরা টেনে নেয়। শিশুদের শ্বাসনালী আকারেও অনেকটা ছোট। তাই নিজেদের অজান্তে বুক ভরে টেনে নেয় বাবা-কাকা-মামার মতো নেশাড়ুদের ছেড়ে দেওয়া বিষ ধোঁয়া। সেকেন্ড হ্যান্ড স্মোকিংয়ের ফলে বাচ্চার অত্যন্ত সংবেদনশীল শ্বাসনালী আর ফুসফুস ‘ইরিটেটেড’ হয়ে পড়ে। শুরু হয় সর্দিকাশি। এ রকম চলতে থাকলে বারে বারে শ্বাসনালী ও ফুসফুসের প্রদাহ হয়ে ক্রনিক সর্দিকাশি, ব্রঙ্কাইটিস, হাঁপানি ও নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বাড়ে। যে সব শিশুর অ্যাজমা আছে, তামাকের ধোঁয়ায় তাদের বারে বারে অ্যাটাক হয়। অনেক সময় ইনহেলার বা ওষুধে কোনও কাজ হয় না। নিউমোনিয়ায় কাহিল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। বাচ্চার ভোগান্তির শেষ থাকে না। হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা করে রিলিফ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। বরাবরের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শ্বাসযন্ত্র।

আচমকা শেষ নিঃশ্বাস পড়ার ঝুঁকি থাকে

মা, বাবা অথবা বাড়ির অন্য সদস্যদের ধূমপানের কুপ্রভাবে এক বছরের কমবয়সী বাচ্চাদের আচমকা (Sudden infant death syndrome বা SIDS) মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে গর্ভাবস্থার শুরুতে মা ধূমপান করলে অথবা পরোক্ষ ভাবে সিগারেটের ধোঁয়ার মধ্যে থাকলে এক বছরের কমবয়সী শিশুদের মধ্যে আকস্মিক মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, হবু মা ধূমপায়ী হলে শিশুমৃত্যুর ঘটনা অধূমপায়ীদের থেকে ৫৮% বেশি। সুতরাং সাবধানতা নিতেই হবে।

নাক-কান-দাঁতের অসুখ থেকে ক্যানসার

হ্যাঁ ঠিকই পড়ছেন, সিগারেটের বিষ ধোঁয়া শুধুই যে ফুসফুসের বারোটা বাজায় তা নয়, শরীরের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে বিকল করে দিতে পারে। নাক-কান-গলায় সংক্রমণ, কানের ইউস্টেশিয়ান টিউবে বাধা, অটাইটিস মিডিয়া, মধ্য কর্ণের সংক্রমণ থেকে ক্রমশ বধির হয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। কথা বলার সমস্যা তো হয়ই, মানসিক বিকাশও ব্যাহত হতে পারে। এ ছাড়া দাঁতের ক্ষয়, গন্ধের অনুভূতি নষ্ট হয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে লিউকোমিয়া সমেত নানা রক্তের অসুখ ও ক্যানসারের আশঙ্কা বাড়ে।

বাড়ির বারান্দায় সিগারেট ধরালেও শিশুর ক্ষতি

নিকোটিনের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে কিছুটা ওয়াকিবহাল শিশুর নিকটাত্মীয়েরা অনেক সময় বাড়ির বারান্দায় গিয়ে সিগারেট টেনে এসে বাচ্চাকে কোলে নেন। মনে রাখবেন, এর ফলেও শিশুর শরীরে সিগারেটের বিষ প্রবেশ করে। ধূমপানের পর জামাকাপড়ে ও ধূমপায়ীর শরীরে বিষাক্ত রাসায়ানিক থেকে যায় কমপক্ষে ঘণ্টা চারেক। তাই বারান্দায় সিগারেট টানলেও বাচ্চার ক্ষতির পরিমাণ বহাল থাকে পুরোদমে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে সিগারেট নামক মহাশত্রুকে জীবন থেকে গেট আউট করুন প্লিজ!

TAGS :   Smoking   Health   Child   ধূমপান

সৌজন্যে:-www.anandabazar.com

সিগারেট খেয়ে চার ঘণ্টা বাচ্চার কাছে যাবেন না সিগারেট খেয়ে চার ঘণ্টা বাচ্চার কাছে যাবেন না Reviewed by khokan on 10:14 Rating: 5

অবিবাহিত মেয়ের পিরিওড বন্ধ হয়ে গেছে। রোগী প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ।

অনেক সময় দেখা যায় অবিবাহিত মেয়ের পিরিওড বন্ধ হয়ে গেছে। ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার বললো প্রেগনেন্সি টেস্ট করে নিয়ে আসুন । এমতাবস্থায় প্রথমে হয়তো রোগীর লোক বলবে রোগী অবিবাহিত। এখনও বিয়ে হয়নি, বাচ্চা কিভাবে হবে ডাক্তার তখন জোর দিয়ে বলবে আগে টেস্ট করে নিয়ে আসুন
তারপর রোগী দেখবো, না হলে দেখবোনা। রোগী যাবে টেস্ট করাতে।

এবার দেখা গেলো রোগী প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ। বাড়ির লোক অবাক, রোগী অজ্ঞান।
তখন স্বাভাবিক ভাবেই রোগীর বক্তব্য থাকবে,
আমি কিছু করিনি। রোগীর লোকের বক্তব্য, কিছু করিসনি তো বাচ্চা কোথা থেকে এলো।
ডাক্তারের কাছে রোগী কাঁদতে কাঁদতে বলবে, বিশ্বাস করেন ডাক্তার সাহেব আমি কিছুই করিনি। বাচ্চা কোথা থেকে এলো আমি জানিনা।

রোগীর লোক যদি জীন বিশ্বাসী হয় তবে বলে দেবে জীনের বাচ্চা ওটা কিন্তু ডাক্তারের কেরামতি এখনও বাকি আছে।ডাক্তার তখন আলট্রাসনোগ্রাফির সাহায্য নেবে। আলট্রাসনোগ্রাফিতে দেখা যাবে রোগী প্রেগনেন্ট না। রোগীর তল পেটে কোন ফেটাস নেই।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে রোগীর পেটে বাচ্চা নেই কিন্তু প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ আসলো কেন।
এটা যে স্ট্রিপ দিয়ে টেস্ট করা হয় সেই স্ট্রিপ আসলে বাচ্চা ডিটেকটর না।

একজন মহিলা যখন বাচ্চা কনসিভ করে তার ৬ দিনের মধ্যে human chorionic gonadotrophin (HCG) নামক একটি হরমোন নিঃসৃত হয় দেহ থেকে যা ইউরিন এর মাধ্যনে দেহ থেকে বের হয়। হরমনটি মূলত syncytiotrophoblast (প্লাসেন্টা অংশ) রক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়।

কিন্তু এই একই হরমোন অনেক টিউমার যেমন : Seminoma, choriocarcinoma, germ cell tumors, hydatidiform mole formation, teratoma with elements of choriocarcinoma, and islet cell tumor এর কারণেও নি:সৃত হতে পারে। তখন তো প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ দেখাবে।

এইরকম পরিস্থিতিতে প্রথমেই অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নেই । আত্মহত্যা করা বা অন্য কিছু ঘটানোর আগে সিউর হোন।

আপনি সতর্ক হন আর অন্যকেও সতর্ক করুন , কে জানে এমন কিছু ঘটনা আপনার আশেপাশেই ঘটছে কিনা ।

সংগৃহিত

অবিবাহিত মেয়ের পিরিওড বন্ধ হয়ে গেছে। রোগী প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ। অবিবাহিত মেয়ের পিরিওড বন্ধ হয়ে গেছে। রোগী প্রেগনেন্সি টেস্ট পজেটিভ। Reviewed by Dhuliyan City on 00:14 Rating: 5

আমার রক্তে যদি বাঁচে কারো প্রাণ, তাহলে কেনো নয় রক্তদান


প্রতি চারমাস অন্তর অর্থাৎ ১২০ দিন পর পর মানবদেহে নতুন রক্ত তৈরি হয়।
তাই একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের স্বেচ্ছায় রক্ত দেওয়া উচিত । এই দান করা রক্তপরিসঞ্চালন করা হয় অথবা অংশীকরণের মাধ্যমে ঔষধে পরিণত করা হয়।

উন্নত দেশে বেশিরভাগ রক্তদাতাই হলেন স্বেচ্ছায় রক্তদাতা, যারা সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে রক্তদান করেন। দরিদ্র দেশগুলোতে এ ধরণের প্রতিষ্ঠিত স্বেচ্ছায় রক্তদাতার সংখ্যা বেশ কম, বেশিরভাগ রক্তদাতাই কেবল তাদের পরিচিতজনদের প্রয়োজনে রক্তদান করে থাকেন।
বেশির ভাগ রক্তদাতাই সমাজসেবামূলক কাজ হিসেবে রক্তদান করেন, তবে কিছু মানুষ পেশাদার রক্তদাতা, অর্থাৎ তারা অর্থ বা কোন ভাতার বিনিময়ে রক্তদান করে থাকেন। আবার রক্তদাতা তার ভবিষ্যত প্রয়োজনে রক্ত পেতে পারেন।
রক্তদান অপেক্ষাকৃত নিরাপদ, তবে কিছু রক্তদাতার যে জায়গায় সূঁচ প্রবেশ করানো হয় সেখানে কালশিরে পড়ে, আবার কেউ কেউ রক্তদানের পর দুর্বলতা অনুভব করেন।

রক্তদানের অনেক উপকারিতা আছে।যেমন:-

১. রক্তদানের প্রথম এবং প্রধান কারণ,একজনের দানকৃত রক্ত আরেকজন মানুষের জীবন বাঁচাবে।

রক্তদান স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

২. রক্তদান করার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের মধ্যে অবস্থিত ‘বোন ম্যারো’ নতুন কণিকা তৈরির জন্য উদ্দীপ্ত হয় এবং রক্তদানের ২ সপ্তাহের মধ্যে নতুন রক্তকণিকার জন্ম হয়ে ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়। বছরে ৩ বার রক্তদান আপনার শরীরে লোহিত কণিকাগুলোর প্রাণবন্ততা বাড়িয়ে তোলার সাথে সাথে নতুন কণিকা তৈরির হার বাড়িয়ে দেয়। উল্লেখ্য রক্তদান করার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই দেহে রক্তের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে যায়।

৩. নিয়মিত রক্তদান করলে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

৪. আরেক গবেষণায় দেখা যায়, যারা বছরে দুই বার রক্ত দেয়, অন্যদের তুলনায় তাদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। বিশেষ করে ফুসফুস, লিভার, কোলন, পাকস্থলী ও গলার ক্যান্সারের ঝুঁকি নিয়মিত রক্তদাতাদের ক্ষেত্রে অনেক কম পরিলক্ষিত হয়েছে। চার বছর ধরে ১২০০ লোকের ওপর এ গবেষণা চালানো হয়েছিলো।

৫. নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে নিজের শরীরে বড় কোনো রোগ আছে কিনা তা বিনা খরচে জানা যায়। যেমন : হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, সিফিলিস, এইচআইভি (এইডস) ইত্যাদি।

৬. প্রতি পাইন্ট (এক গ্যালনের আট ভাগের এক ভাগ) রক্ত দিলে ৬৫০ ক্যালরি করে শক্তি খরচ হয়। অর্থাৎ ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

৭. রক্তদান ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত পুণ্যের বা সওয়াবের কাজ। একজন মানুষের জীবন বাঁচানো সমগ্র মানব জাতির জীবন বাঁচানোর মতো মহান কাজ।

সুতরাং, প্রতিটি সুস্থ এবং রক্তদানে সক্ষম ব্যক্তিদের স্বেচ্ছায় রক্ত দেওয়া উচিত। এমন অনেক মানুষ আছেন যারা স্বেচ্ছায় রক্ত দান করেন। কিন্তু তাদের কাছে হয়তো সবার সাহায্যের আবেদন পৌছাতে পারে না। যারা রক্তদানে সক্ষম তারা আরেকজনকে জানান, কারণ আপনার এই সহায়তার জন্যই হয়তো বেঁচে যাবে কারো প্রাণ।

সংগৃহীত

আমার রক্তে যদি বাঁচে কারো প্রাণ, তাহলে কেনো নয় রক্তদান আমার রক্তে যদি বাঁচে কারো প্রাণ, তাহলে কেনো নয় রক্তদান Reviewed by Dhuliyan City on 03:50 Rating: 5

আপনার ব্লাড গ্রুপ কি ‘O’? তাহলে জেনে নিন গুনাবান গুলি


‘সর্বজনীন দাতা’ হওয়ায় ‘O’ গ্রুপের মানুষজনের মধ্যে একটা প্রছন্ন গর্ব কাজ করে। নিজেদের ‘উদার’ প্রতিপন্ন করার একটা চেষ্টা থাকেই। তা ওরা করতেই পারেন। জাপানের কথাই ধরুন না। জাপানিরা মনে করেন, O গ্রুপের মানুষজন অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী। যে কারণে চাকরির ইন্টারভিউয়ে আগে ব্লাড গ্রুপ জানা হয়। যদি O হয় তো সোনায় সোহাগা। বাকিদের থেকে কয়েক কদম এগিয়েই তারা শুরু করেন। এর কারণ হল, O গ্রুপের অসাধারণ দায়িত্বজ্ঞানবোধ।

যে কোনও কাজ কাঁধে নিলে, নিশ্চিত ভাবেই তারা উতরে দেবেন। একটা শৃঙ্খলাবোধ পছন্দ করেন। পরিকল্পনা করে কাজে হাত দেন। গুছিয়ে কথা বলতে পারেন। নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে চলেন। চারপাশ পরিবেশ-পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন। সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারেন। যা-ই করুন, বাস্তবের মাটিতে পা থাকে।

আবেগের বশে ভুলভাল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন না। এসব গুণের সমাহারের কারণেই কর্তৃপক্ষ চোখ বন্ধ করে O গ্রুপের লোকজনের উপর ভরসা করতে পারে। মনে করা হয়, এঁদের পূর্বসূরি ছিলেন দক্ষ শিকারি।
ফলে এটা বোঝাই যাচ্ছে, সবাইকে রক্ত দিতে পারেন আর শুধু নিজের গ্রুপের রক্ত নিতে পারেন বলে O গ্রুপের লোকজন ‘অনন্য’ নয়। O গ্রুপের বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্যর কারণেই তাঁরা ইউনিক। আর একটা কথা, এঁরা কিন্তু সহজাত নেতা।

এ তো গেল ভালো দিক। উলটো দিকে এটাও মনে রাখতে হবে, আলসার, সুগার, ওবেসিটি, থাইরয়েডের মতো হাজারো রোগ বাসা বাঁধতে পারে আপনার শরীরে। আর শরীর ভালো না থাকলে, কিছুই করতে পারবেন না। তাই নিজেকে ফিটা রাখাটা জরুরি। যার জন্য ডায়েটে জোর দিতে হবে।

কফি-মদ না ছুঁলেই ভালো, এটা আপনার জন্য বিষের সমতূল্য

আপনার ব্লাড গ্রুপ O হলে, ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকা উচিত। তার কারণ, O গ্রুপের মানুষজনের মধ্যে এমনিতেই অ্যাড্রেনালিন হরমোনের মাত্রা অন্য গ্রুপের তুলনায় বেশি। এর পর আবার শরীরে ক্যাফেইন (কফি জাতীয় পানীয়) গেলে অ্যাড্রেনালিন অতি মাত্রায় বৃদ্ধি পায়।

মনে রাখবেন, আপনার রক্তের গ্রুপ O মানেই আপনি হাইপারঅ্যাকটিভ। ইমপালসিভও। বিশেষত যখন স্ট্রেসের মধ্যে থাকেন। এমন পরিস্থিতে সহজেই আপনি মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। এরপর যদি ডায়েট অস্বাস্থ্যকর হয়, তা হলে কথাই নেই। যাকে বলে, বিপাকীয় প্রক্রিয়ার বারোটা। হজমের গন্ডগোল তো আছেই থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগতে পারেন।

এমনকী ইনসুলিন নিয়েও সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পাকস্থলীতে অতিরিক্ত অ্যাসিডের উপস্থিতিতে আলসারের সম্ভাবনাও প্রবল। এ ছাড়াও খাওয়া দাওয়ায় একটু বেহিসেবি হলেই ওজন দ্রুত বাড়বে। আপনি o গ্রুপের ব্যক্তি হলে, শরীর চাঙ্গা রাখতে দিনে অন্তত তিন থেকে চার বার কিছুক্ষণ করে হলেও ব্যায়াম করুন।

আপনার ব্লাড গ্রুপ কি ‘O’? তাহলে জেনে নিন গুনাবান গুলি আপনার ব্লাড গ্রুপ কি ‘O’? তাহলে জেনে নিন গুনাবান গুলি Reviewed by Dhuliyan City on 18:46 Rating: 5

কুষ্ঠ রোগ কি? রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধে করনীয়

ইকোব্যাক্টেরিয়াম লেপ্রি ব্যাক্টেরিয়াটি খুব ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং এদের দ্বিগুণ হতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগে। কুষ্ঠ রোগ সাধারনত ত্বক, চোখ, নাকের মিউকাস মেমব্রেন, মস্তিষ্ক, মেরুদন্ডের বাইরের দিকের স্নায়ু এবং অন্ডকোষের ক্ষতি করে।

কিভাবে কুষ্ঠ রোগ ছড়ায় ::-

নিঃশ্বাসের সাথে এ রোগ ছড়াতে পারে।
আক্রান্ত ব্যক্তির নাক-মুখ দিয়ে ঝরা সর্দির মাধ্যমে।
কুষ্ঠ রোগীর স্পর্শের মাধ্যমে কুষ্ঠ রোগ ছড়াতে পারে। তবে সাধারনত স্পর্শের মাধ্যমে এটি ছড়ায় না।
আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে ঘনিষ্ঠ এবং দীর্ঘ সময় ধরে মেলামেশার ফলে কুষ্ঠ রোগ হতে পারে। অল্প বা সামান্য মেলামেশায় সাধারনত এ রোগ ছড়ায় না।
অনেক ক্ষেত্রে জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হলেও কুষ্ঠরোগ হয় না।
জীনগত কারন অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণের জন্য দায়ী হতে পারে। এ সমস্ত রোগীর ক্ষেত্রে জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হলে তাদের কুষ্ঠ রোগ হবার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

কাদের হতে পারে ::-

যে কোন বয়সেই কুষ্ঠ রোগ হতে পারে। তবে সাধারনভাবে ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী অথবা ৩০ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে এই রোগ বেশি দেখা যায়।

প্রকারভেদ ::-

উপসর্গের উপর ভিত্তি করে কুষ্ঠ রোগ সাধারনত তিন রকম হতে পারে। যেমন- টিউবারকিউলয়েড(Tuberculoid) কুষ্ঠ, লেপ্রোমেটাস (Lepromatous) কুষ্ঠ এবং বর্ডারলাইন (Borderline) কুষ্ঠ। আবার, আক্রান্ত অবস্থার উপর নির্ভর করে কুষ্ঠ রোগ সাধারনত দুই রকম হতে পারে। যেমন- পসিব্যাসিলারী (Paucibacillary) এবং মাল্টিব্যাসিলারী (Multibaicllary)। ত্বকের পাঁচ বা পাঁচের কম জায়গা আক্রান্ত হলে সেটা পসিব্যাসিলারী। অপরদিকে ছয় বা ছয়ের বেশি জায়গা আক্রান্ত হলে সেটা মাল্টিব্যাসিলারী।

কুষ্ঠ রোগের ফলে সৃষ্ট জটিলতাসমূহ ::-

কুষ্ঠ রোগের ফলে নানারকম জটিলতা হতে পারে। যেমন- কিডনির কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে, পায়ের তালুতে ক্ষত সৃষ্টি হলে, হাঁটতে সমস্যা হতে পারে, নাকে ক্ষত সৃষ্টি হলে নাকে বেশ কিছু সমস্যা হতে পারে (যেমন- নাক ক্ষয়ে যাওয়া, নাক থেকে রক্ত পড়া ইত্যাদি), চোখে হলে গ্লুকোমা বা অন্ধত্ব হতে পারে, পুরুষদের লেপ্রোমেটাস কুষ্ঠ হলে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে এমনকি সন্তান জন্মদানের খেত্রেও সমস্যা হতে পারে।

কুষ্ঠ রোগের লক্ষণ ও উপসর্গ ::-

কুষ্ঠ সংক্রমণের ৫ থেকে ৭ বছর পর সাধারনত কুষ্ঠ রোগের উপসর্গসমূহ দেখা দিতে থাকে এবং পর্যায়ক্রমে উপসর্গগুলো বাড়তে থাকে।

কুষ্ঠ রোগ হলে সাধারণত নিম্নলিখিত লক্ষণ ও উপসর্গসমূহ দেখা যায়ঃ-

ত্বকে লালচে দাগ অথবা মসৃণ সাদাটে দাগ দেখা যায়।
ত্বকের যেসব স্থান সংক্রমিত হয় সেসব জায়গায় পিন্ড দেখা যায় বা ফুলে যায়।
স্পর্শ, ব্যথা এবং তাপমাত্রার অনুভূতি হ্রাস পায়।
নিজের (যাদের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে) অজান্তেই কোন ক্ষতি করতে পারে যেমন- শরীরের কোন জায়গা আগুনে পুড়ে যাওয়া, কাটা ইত্যাদি। আবার অনেক ক্ষেত্রে, হাত বা পায়ের আঙ্গুল হারাতে পারে।
টিউবারকিউলয়েড কুষ্ঠের ক্ষেত্রে, ত্বকে লালচে দাগের সাথে কিছু কিছু জায়গায় মসৃণ সাদাটে দাগ হতে পারে এবং আক্রান্ত স্থান অসাড় হয়ে যায়।
লেপরোমেটাস কুষ্ঠের ক্ষেত্রে, ত্বকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনেক পিন্ড হতে পারে কিংবা অনেকখানি স্থান জুড়ে নানান আকারের লালচে দাগ হতে পারে, মাংসপেশী দূর্বল হয়ে পড়ে এবং শরীরের বেশিরভাগ স্থান অসাড় হয়ে যায়। এ রোগে শরীরের বেশিরভাগ অঙ্গ এবং ত্বকের বেশির ভাগ অংশ আক্রান্ত হতে পারে।
বর্ডারলাইন কুষ্ঠের ক্ষেত্রে, টিউবারকিউলয়েড কুষ্ঠ এবং লেপরোমেটাস কুষ্ঠের প্রায় সকল বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান থাকে। প্রাথমিক অবস্থায় এটা টিউবারকিউলয়েড কুষ্ঠের মত বৈশিষ্ট্য দেখায় এবং পরবর্তীতে অবস্থা খারাপ হলে লেপ্রোমেটাস কুষ্ঠের বৈশিষ্ট্য দেখায়।

রোগ নির্ণয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ::-

সাধারনত কুষ্ঠ রোগের উপসর্গ দেখেই বোঝা যায় যে কুষ্ঠ হয়েছে। তারপরেও রোগ নিশ্চিত করার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আক্রান্ত স্থানের ত্বকের টিস্যু পরীক্ষা এবং রক্তের পরীক্ষা করতে হতে পারে।

কুষ্ঠ রোগ প্রতিরোধে করনীয় ::-

আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর থেকে নিঃসৃত তরল জাতীয় পদার্থ যেমন- নাক-মুখ দিয়ে ঝরা সর্দির মাধ্যমে এ রোগ ছড়াতে পারে। এসবের সংস্পর্শে আসা যাবে না।
যদিও সাধারনত স্পর্শের মাধ্যমে এটি ছড়ায় না তারপরেও কুষ্ঠ রোগীর স্পর্শের ব্যপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে এবং দীর্ঘ সময় ধরে মেলামেশায় কুষ্ঠের সংক্রমন হতে পারে। তাই, আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশার ব্যপারে সাবধান হতে হবে।
পরিবারে কেউ এ রোগে আক্রান্ত থাকলে জীবাণুর সংক্রমনে কুষ্ঠ রোগ হবার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে, জীবাণু সংক্রমনের ব্যপারে অধিক সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
আক্রান্ত রোগীর ত্বকের ফুসকুড়ি এবং ফুসকুড়ি থেকে নিঃসরিত পদার্থের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকতে হবে।
বিসিজি টিকা গ্রহনের মাধ্যমে কুষ্ঠ রোগ প্রতিরোধ করা যেতে পারে।
কুষ্ঠ রোগ কি? রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধে করনীয়

চিকিৎসা ::-

কুষ্ঠ রোগের সংক্রমণ দীর্ঘস্থায়ী হলেও এটা অধিক সংক্রমক নয়। সাধারনত কুষ্ঠ রোগে মৃত্যুর হার অত্যন্ত কম। কুষ্ঠ রোগের চিকিৎসা সাধারনত রোগের ধরণ, মাত্রা, রোগীর বয়স ইত্যাদি কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে। সমস্ত বিষয় বিবেচনা করে প্রধানত দুইভাবে কুষ্ঠ রোগের চিকিৎসা করা হয়। যেমন- দীর্ঘ সময় ধরে এন্টিবায়োটিক জাতীয় ঔষধ সেবনের মাধ্যমে অথবা ড্যাপসোন দিয়ে সারা জীবন ধরে চিকিৎসা। কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং তার পরিবারকে অনেক মানসিক ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়।

সবশেষে
প্রতি বছর প্রায় ৪ হাজার নতুন কুষ্ঠ আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয়। অপুষ্টি ও সচেতনতার অভাবেই এ রোগের প্রার্দুভাব বাড়ছে। সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমেই এই রোগের প্রতিরোধ সম্ভব। কুষ্ঠ কোন মরণব্যাধি নয়, এটিকে সহজেই প্রতিরোধ করা যায়।

শৈশব থেকে বৃদ্ধ যে কোনো বয়সেই কুষ্ঠ রোগ হতে পারে। নারী পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন, তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মহিলাদের চেয়ে পুরুষরাই বেশি আক্রান্ত হন। এই রোগের ব্যাকটেরিয়ার বংশ বৃদ্ধি অত্যন্ত ধীর বলে, জীবানু সংক্রমনের প্রায় ৫ থেকে ৭ বছর পর আস্তে আস্তে রোগটি প্রকাশ পেতে থাকে। সাধারনত ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সের মধ্যে এ রোগ কম দেখা যায়। অপরদিকে, ৩০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে এ রোগের প্রাদুর্ভাব একটু বেশি দেখা যায়।

শতকরা প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষের দেহে এ রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের ক্ষেত্রে এ রোগে আক্রান্তের সম্ভাবনা বেশি থাকে। এই রোগ নিয়ে আর কোন সংশয় নয়। সঠিক চিকিৎসায় কুষ্ঠ রোগ সম্পূর্ণ ভালো হয়। তাই, সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করতে হবে।

কুষ্ঠ রোগ কি? রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধে করনীয় কুষ্ঠ রোগ কি? রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধে করনীয় Reviewed by Dhuliyan City on 23:19 Rating: 5
Powered by Blogger.