Results for ফারাক্কা

ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ উঠছে ফরাক্কায় গঙ্গায়তার দৌলতেই ৮০ টাকা কিলো দরে বিকোচ্ছে খোকা ইলিশ

20:01




ফারাক্কা ২৪ অক্টোবর : উৎসবের মরশুমে বাড়তি পাওনা। ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ উঠছে ফরাক্কায় গঙ্গায়। আর তার দৌলতেই ৮০ টাকা কিলো দরে দেদার বিকোচ্ছে খোকা ইলিশ । একটু বড় হলেই সাইজ মত তা মিলছে দেড়শো থেকে আড়াই শোতে।
বাংলা দেশের পদ্মা বেয়ে ইলিশের ঝাঁক গঙ্গায় চলে আসায় ফরাক্কা বাঁধের উজানে ১৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে গত দশ দিন ধরে বান ডেকেছে ইলিশের। জলের দামে অঢেল ইলিশ আমদানির খবর পেয়ে সকাল থেকে মহাজনদের ভিড় বাড়ছে ফরাক্কার গঙ্গা পাড়ে। জেলেদের কাছ থেকে সরাসরি ইলিশ কিনে নিচ্ছেন তারা নদীর পাড় থেকেই। সস্তায় ইলিশ পেতে সকাল, বিকেল নদীর পাড়ে ভিড় জমাচ্ছেন স্থানীয় গ্রামবাসীরাও ।
রাজ্য মতস্য দফতরের ব্যাখ্যা, পদ্মা নদী নিমতিতার আগে মিশেছে গঙ্গায়। সেই পদ্মার বাঁকা পথেই বাংলাদেশ থেকে ইলিশের ঝাঁক ঢুকেছে ফরাক্কায়। ফরাক্কা বাঁধ হওয়ার পর গত চার দশকে ইলিশ প্রায় উধাও হয়ে গিয়েছিল ফরাক্কায় গঙ্গা থেকে। মাঝে মধ্যে কখনও ইলিশ জালে পড়লেও তার দাম ছিল আকাশ ছোঁয়া। গত পাঁচদিন থেকে মৎস্যজীবীদের জালে হঠাৎ করে মাত্রা ছাড়া ইলিশ উঠতে শুরু করেছে। আর তাতেই দীপাবলির আগে কপাল ফিরেছে স্থানীয় মৎস্যজীবীদেরও। তড়িঘড়ি ধুলিয়ান, হাজারপুর, অর্জুনপুর, মহেশপুর লাগোয়া গঙ্গায় ইলিশের খোঁজে ডিঙ্গি নৌকো নিয়ে নেমে পড়েছেন শতাধিক মতস্যজীবী ।
নিউ ফরাক্কার ব্লক অফিসের পাশেই পাইকারি মাছের বাজার। উতসবের মরশুমে ইলিশের অঢেল আমদানিতে খুশি মাছের ব্যবসায়ীরাও। মাছ ব্যবসায়ী ভোলা সেখ বলছেন, “ সাধারণ সময়ে ফরাক্কার বাজারে ইলিশের জোগান আসে বড় জোর ৫/৬ মণ মত । গত পাঁচ দিন থেকে ইলিশ আসছে ১৫০ থেকে ১৮০ মণ করে। একদিন তা ২০০ মণও ছাড়িয়ে গেছে।”
তিনি জানান,এই সব ইলিশের প্রায় ৬০ শতাংশই ৫০০ থেকে ৮০০ গ্রামের মধ্যে। বাকিটা ৪০০ গ্রামের নিচে। এই সব খোকা ইলিশ বিকোচ্ছে ৮০ টাকা কিলোয়। বড় গুলো মিলছে সাইজ বুঝে ২৫০ টাকার মধ্যে। গত বছরও অবশ্য একই ভাবে পুজোর সময় দিন দশেকের জন্য গঙ্গায় ইলিশ মিলেছিল দৈনিক তিনশো মনেরও বেশি। মুর্শিদাবাদের মতস্য দফতরের সহ অধিকর্তা জয়ন্ত কুমার প্রধান জানান, এই সময় সমুদ্র থেকে ইলিশ পদ্মায় মিস্টি জলে ডিম ছাড়তে আসে। তাদের গতিপথে ঝাঁক বেঁধে থাকা পদ্মার ইলিশ কোনোভাবে গঙ্গা দিয়ে এসে ফরাক্কা বাঁধের বাধায় থমকে গেছে ইলিশের ঝাঁক। তাতেই ফরাক্কায় গঙ্গায় এত ইলিশ মিলছে। তবে এটা সাময়িক ।” সাময়িক হলেও পুজোর মরশুমে হঠাত করে এত পরিমাণে ইলিশ চলে আসায় মতস্য প্রিয় বাঙালির কাছে তা যে একটা বড় পাওনা তা বলার অপেক্ষা রাখে না।ফরাক্কার হাজারপুরে নদীর পাড়ে এখন মেলা বসছে সকাল, সন্ধ্যে। মতস্যজীবী বুধন হালদার বলছেন , “ গত ৫দিনে ১৩৮ কিলো ইলিশ ধরা পড়েছে আমার জালে। বেশির ভাগেরই সাইজ ৩০০ থেকে ৬০০ গ্রাম। তবে এত বেশি ইলিশ মেলায় দাম নেই সেভাবে। ”
বেশির ভাগ মতস্যজীবী টিনের ডোঙা নিয়ে ফাঁস জাল ফেলতে ফেলতে যাচ্ছেন নদী বেয়ে। কয়েক ঘন্টা অপেক্ষার পর সেই জাল গোটাতে গোটাতে ফিরছেন। তাতেই আটকা পড়ছে ইলিশ। ফাঁস জালে ইলিশ ধরা বেআইনি। খোকা ইলিশ ধরাও নিষিদ্ধ। জানেন মতস্যজীবীরাও । কিন্তু তাদের সাফাই, এতো সবই বাংলাদেশের ইলিশ । ফরাক্কায় মেলেই না বড় একটা । পুজোর মরশুম তাই যা পাচ্ছি সেটাই লাভ। মতস্য দফতরের কর্তার হিসেবে, প্রাপ্ত বয়স্ক একটি ইলিশ ২০ লক্ষ মত ডিম পাড়ে। তার ১০ শতাংশ বাঁচলেও এক বছরেই তার সংখ্যা দাঁড়াবে লক্ষাধিক। সেই কারণেই ডিম ছাড়ার সময়ে বাংলাদেশে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ খোকা ইলিশ ধরাও। নিষেধাজ্ঞা আছে এ বঙ্গেও । ফরাক্কায় অবশ্য এ সব মানার বালাই নেই এখন।

 তথ্য – কমল মজুমদার

                                 
ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ উঠছে ফরাক্কায় গঙ্গায়তার দৌলতেই ৮০ টাকা কিলো দরে বিকোচ্ছে খোকা ইলিশ ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ উঠছে ফরাক্কায় গঙ্গায়তার দৌলতেই ৮০ টাকা কিলো দরে বিকোচ্ছে খোকা ইলিশ Reviewed by khokan on 20:01 Rating: 5

সরকারী আবাসনে মধুচক্রের আসর শুনতে গল্প লাগলেও এটায় বাস্তব

ফারাক্কা ৭ অক্টোবর :- সরকারী আবাসনে মধুচক্রের আসর শুনতে গল্প লাগলেও এটায় বাস্তব। গত কাল দুপুরে পুলিশের হানাদারিতে হাতে নাতে ধরা পড়ল দুই জোড়া কিশোর কিশোরী। ঘটনার জেরে ব্যাপক হারে চাঞ্চল্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে আবার পুলিশ প্রশাসনের সুবাদে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও   সবার মনে প্রশ্ন কী ভাবে সরকারী আবাসনে এই ধরনের ঘটনা  ঘটলো ।ব্যারেজ প্রকল্পের কর্তারা হাজার প্রশ্নের কাঠগড়ায়।ব্যারেজ প্রকল্পের অনেকে আবাসনে থাকেন না। দীর্ঘদিন ধরে আবাসনের ফাঁকা ঘরগুলি স্থানীয় মানুষ ব্যবহার করে বলে অভিযোগ। বিনিময়ে ব্যারেজ প্রকল্পের শীর্ষস্থানীয় কর্তারা মোটা টাকা নিতেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। বেশ কিছুদিন থেকে আবাসনের ওই ঘরগুলিতে মদ, জুয়া ও মধুচক্রের আসর বসত বলে পুলিশের কাছে খবর ছিল।

এদিন দু’য়ে দু’য়ে চার হয়। ঘরটি বাইরে থেকে তালা দেওয়া ছিল। পুলিশ তালা ভেঙে ভিতরে ঢুকে আপত্তিকর অবস্থায় দুই কিশোর-কিশোরীকে গ্রেপ্তার করে। ধৃত দুই কিশোরের নাম প্রসেনজিৎ চৌধুরী ও মিঠুন চৌধুরি। তাদের বাড়ি পলাশি গ্রামে। আর দুই কিশোরীই নিউ ফরাক্কা হাইস্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রী বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

সূত্রঃ নিউজ 24x7 বাংলা

সরকারী আবাসনে মধুচক্রের আসর শুনতে গল্প লাগলেও এটায় বাস্তব সরকারী আবাসনে মধুচক্রের আসর শুনতে গল্প লাগলেও এটায় বাস্তব Reviewed by Dhuliyan City on 21:49 Rating: 5

জল নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় বেহাল গ্রামবাসী

ধুলিয়ান ৩ অক্টোবর :- ফারাক্কা থানার অন্তর্গত অর্জুনপুর অঞ্চলের জয়রামপুর দক্ষিণপাড়া গ্রাম বর্ষার জল জমে বেহাল অবস্থা গ্রামবাসীর । জল নিকাশির ব্যাবস্থা না থাকায় সামান্য পরিমাণ বৃষ্টির জেরে জল বন্দি হয়ে পড়ে গ্রামবাসী । একটি মাত্র ড্রেন থাকায় , সেই ড্রেন টি বিগত কয়েক বছর ধরে  কিছু কারণ বসত বন্ধ হয়ে যায় ।  বারবার স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান থেকে ব্লক প্রশাসনকে জানিয়ে কোন সমস্যা হয়নি। গতকালের বৃষ্টিতে ফের হাঁটু জল জমে ।  ফলে একটু বৃষ্টি হলেই জল জমে যায় গ্রামে । গ্রামে বেশির ভাগ বাড়ির আশেপাশে জল জমে আছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।  MLA মইনুল হক জানাই , কিছু দিন আগে জয়রামপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের সমস্যা শুনে ছুটে যান । গ্রাম পরিদর্শন করেন , ফলে অতি শীঘ্রই জল নিকাশির ব্যবস্থার আশ্বাস দেন ।

জল নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় বেহাল গ্রামবাসী জল নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় বেহাল গ্রামবাসী Reviewed by Dhuliyan City on 23:07 Rating: 5

এই বনেদি পরিবারের দূর্গাপূজোকে ঘিরে লুকিয়ে আছে প্রাচীন ইতিহাস

ফরাক্কা ১৫ সেপ্টেম্বর :- মুর্শিদাবাদ জেলার অধিকাংশ গ্রামীণ বনেদি পরিবারের দূর্গাপূজোকে ঘিরে লুকিয়ে আছে প্রাচীন ইতিহাস।সেই ইতিহাসের সন্ধানে ফরাক্কার পলাশি গ্রামের মিশ্র বাড়িতে।আজ থেকে প্রায় ৪১৭ বছর পূর্বে মিশ্র বাড়িতে দূর্গাপূজোর প্রচলন হয়।যদিও মিশ্র বাড়ির এই পূজোর সূচনা হয় মালদহ জেলার খেজুরিয়া ঘাটে।১৩১১ বঙ্গাব্দে গঙ্গার ভয়াবহ ভাঙ্গনে তলিয়ে যায় দেবির মাটির মন্দির।মিশ্র বাড়ির লোকেরা উদ্বাস্তু হয়ে চলে আসেন ফরাক্কার পলাশি গ্রামে।ধর্মীয় রীতি মেনে রথযাএার দিন পূজাচ্চর্নার মাধ্যমে দেবির কাঠামোয় প্রলেপ দিয়ে মূর্তি গড়ার কাজ শুরু হয়।মহালয়ার দিন থেকে শুরু হয় চন্ডীপাঠ মিশ্র বাড়িতে।এই বাড়ির পুজোকে ঘিরে রীতিমতো উন্মাদনা সৃষ্টি হয়।প্রাচীন রীতি মেনে আজও নবমিরদিন পশুবলি দেওয়া হয়।জাগ্রত দেবীর কাছে মনোস্কামনায় বহু মানুষ পশু বলি দেন।শতাধিক ছাগবলি হয় এই বাড়িতে।মিশ্র বাড়ির পুজোর প্রাচীন ইতিহাস জানালেন বাড়ির সন্তান ধীরাজ মিশ্র।মিশ্র পরিবারের পূর্বপুরুষ ছিলেন ঠাকুর মিশ্র।তার কোন কন্যা সন্তান ছিলনা।ঠাকুর মিশ্র ছিলেন দরিদ্র ব্রাক্ষন।পুজোচ্চনা করে খুবি কষ্টে সংসার চালাতেন।একদিন এক শাঁখারি গঙ্গার তীর দিয়ে শাঁখা বিক্রি করতে যাচ্ছিলেন।গঙ্গার তীরে এক কিশোরী শাঁখারির কাছে শাঁখা পরতে চায়।শাঁখারি কিশোরীকে শাঁখা পরিয়ে দাম চাইলে কিশোরী বলে তার বাবা ঠাকুর মিশ্র দাম দেবেন।শাঁখারি ঠাকুর মিশ্রর বাড়িতে এসে কিশোরীর কথা মতো শাঁখার দাম চান।শাঁখারির কথা শুনে ঠাকুর মিশ্র হতভম্ব হয়ে পড়েন।তার তো কোন কন্যা নেই!শাঁখারি বলেন কিশোরী বলেছে বাবাকে বলো বাড়ির কোঠায় লাল সালুর নিচে কড়ি রাখা আছে। ঠাকুর মিশ্র শাখারির কথামতো ঘরের ভিতর কোঠার লাল সালু সরাতেই কড়ি দেখে চমকে ওঠেন।সেই রাতেই ঠাকুর মিশ্র মা ভবতারিণীর স্বপ্নে দেখা পান।ভবতারিণীর স্বপ্নে দেখা মেলার পর ভোর হতেই ঠাকুর মিশ্র ছুটে যান গঙ্গার তীরে।ঠাকুর মিশ্র দেখতে পান মাঝ গঙ্গায় এক কিশোরী দশ হাতে শাঁখা পরে দাঁড়িয়ে আছে।সেই রাতেই মা ভবতারিণী পূণরায় ঠাকুর মিশ্রকে স্বপ্নে নির্দেশ দেন তিনি তাঁর হাতে পূজিত হতে চান।গঙ্গা থেকে তাঁকে নিয়ে এসে বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত করতে।দেবীর নির্দেশ প্রত্যাখান করেন ঠাকুর মিশ্র দারিদ্রতার কারণে।দেবী ভিক্ষে করে পূজিত হওয়ার কথা বলেন।দেবীর নির্দেশে ঠাকুর মিশ্র ভিক্ষে করে মিশ্র বাড়িতে প্রথম পুজোর সূচনা করেছিলেন।বর্তমানে মিশ্র বাড়ির অথর্নৈতিক সন্কট মোচন হলেও প্রাচীন রীতিমেনে আজও নিকট আত্মীয়দের কাছে ভিক্ষা গ্রহন করে দেবী পূজিত হয়ে চলেছে।১৩১১ বঙ্গাব্দে গঙ্গা ভাঙ্গনে দেবীর থানের একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পরে।দেবীর থানে দুটি বড় সাপের দর্শন পান মিশ্র পরিবারের লোকেরা।রাতে দেবীর স্বপ্নাদেশ পান মিশ্র পরিবার।দেবী অন্যএ প্রতিষ্ঠিত হতে চান।দেবীর নির্দেশে মিশ্র পরিবার দেবীর থান তুলে নিয়ে আসেন ফরাক্কার পলাশি গ্রামে।প্রতিষ্ঠিত করা হয় দেবীর মন্দির।ধুমধাম সহকারে আজও পূজিত হয়ে চলেছেন মা দূর্গা।বহু দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ ছুটে আসেন জাগ্রত দেবীর দর্শনে।

সূত্রঃntvwb

এই বনেদি পরিবারের দূর্গাপূজোকে ঘিরে লুকিয়ে আছে প্রাচীন ইতিহাস এই বনেদি পরিবারের দূর্গাপূজোকে ঘিরে লুকিয়ে আছে প্রাচীন ইতিহাস Reviewed by Dhuliyan City on 07:43 Rating: 5

শুন্য পদ পুরনের দাবীতে ফরাক্কা ব্যারেজর কর্মিদের মৌন মিছিল

ফরাক্কা ১৩ সেপ্টেম্বর -:ফরাক্কা ব্যারেজে প্রকল্পের শুন্য পথ পুরন করা সহ ৯ দফা দাবীর ভিত্তিতে
ফরাক্কা বাঁধ প্রকল্পের যৌথ সংগ্রাম কমেটি ও ফরাক্কা ব্যারেজ প্রজেক্ট  অ্যাসোসিয়েশন  মৌন মিছিল ও গন অবস্থান  বিক্ষোব শুরু করেছে।আজ  ব্যারেজের কর্মিরা  ফরাক্কা ব্যারেজ প্রজেক্টের শুন্য পদ পুরন,ফরাক্কা ব্যারেজ কলোনি কে  জঙ্গল মুক্ত করতে হবে,  ব্যারেজের স্কুল গুলিতে পঠন পাঠনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। পাকাপাকিভাবে পড়াশুনা করার মান তৈরি করতে হবে।   কর্মীদের সঠিক  চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সর্বাক্ষন পরিষেবা যাহাতে পাওয়া যায় তার ব্যাবস্থা করা । গঙ্গা নদী বক্ষে চর অপসারন করে গঙ্গা নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি করা। সেই সাথে কর্মিদের মৃতকালে তার পরিজন দের চাকরির দেওয়া সহ  নানা বিষয় নিয়ে তারা আজ অন্দোলন শুরু করেছে।আন্দলন কারিদের দাবী যতকক্ষন আমাদের দাবী না মানা হবে ততক্ষন আমাদের কর্মসুচি চলবে।

সূত্রঃ পুষ্পপ্রভাত নিউজ

শুন্য পদ পুরনের দাবীতে ফরাক্কা ব্যারেজর কর্মিদের মৌন মিছিল শুন্য পদ পুরনের দাবীতে ফরাক্কা ব্যারেজর কর্মিদের মৌন মিছিল Reviewed by Dhuliyan City on 04:16 Rating: 5

বাড়ির শৌচাগার থেকে উদ্ধার ১৫০টি তাজা বোমা


ফরাক্কা, ১১ সেপ্টেম্বর : ফরাক্কার তোফাপুর থেকে ১৫০টি তাজা বোমা সহ একজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতের নাম আবদুল মালিক। উদ্ধার হয়েছে বেশ খানিকটা বোমার মশলাও। পুলিশ হেপাজত চেয়ে আজ তাকে জঙ্গিপুর আদালতে তোলা হয়েছে।

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আজ ভোররাতে তোফাপুরে হানা দেয় ফরাক্কা থানার পুলিশ। সেখানে আবদুল মালিকের বাড়ির নির্মীয়মাণ শৌচাগার থেকে উদ্ধার হয় ১৫০টি তাজা বোমা ও বেশ খানিকটা বোমার মশলা। এরপরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। থানায় নিয়ে এসে জেরা করা হচ্ছে। তবে কেন বোমাগুলি ওখানে মজুত করা হয়েছিল তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশায় রয়েছে পুলিশ। বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করার পাশাপাশি এর সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের যোগ আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কিছুদিন আগে স্থানীয় একটি আমবাগান থেকে ৪০টি তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছিল। ফের আজ এতগুলি বোমা উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। 

সূত্রঃ eenadu india

বাড়ির শৌচাগার থেকে উদ্ধার ১৫০টি তাজা বোমা 
বাড়ির শৌচাগার থেকে উদ্ধার ১৫০টি তাজা বোমা Reviewed by Dhuliyan City on 19:40 Rating: 5

প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পুরো জরুরি বিভাগ তালা বন্ধ

ফারাক্কা ৯ সেপ্টেম্বর : ফারাক্কার অর্জুনপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পুরো জরুরি বিভাগ তালা বন্ধ, এমনটা চিত্র দেখা যায় আজ । বড় করে লেখা আছে  হাসপাতাল বন্ধ,

স্থানীয়দের কাছে জানাযায় গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার সন্ধের পরে,একজন রোগীর পরিজনের সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডঃ আশিষ অধিকারির সাথে বসচা শুরু হয় ।

সকাল দিকে রোগীর আত্মীয়রা দেখে  বর্হিবিভাগ ও জরুরি বিভাগে তালা বন্ধ , ডঃ আশিষ অধিকারের  অনুপস্তিতির শোনা যায় । ডঃ আশিষ অধিকারীর সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যান ,
গ্রামবাসীর ও রোগীর আত্মীয়দের অনুমানিক  অসংখ্য কাল রাত্রের ঘটনার জেরে ডঃ বাবু  গভীররাত্রে বা প্রাত্যভোরে হাসপাতালের ভেতরে নিজের সরকারি বাসভবন ও পুরো জরুরি বিভাগ তালা বন্ধ করে কোথায় চলে যান । আজ প্রায় কয়েকশো রুগী চিকিৎসা করাতে এসে ঘুড়ে যান।  ও আর  একজন ডঃ আছেন , কিন্তু তিনি যে কোথায় আছেন তাঁর ও কোনো খবর পাওয়া যায়নি ।

অবশেষে BMOH ও ফরাক্কা থানার প্রশাসন কে সব ঘটনা জানানো হয়। এদিন বেনিয়াগ্রাম প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে  ডঃ শম্ভু বিশ্বাস কে নিয়ে আসেন প্রায় বেলা ১২ টা নাগাদ, এবং সব ঘরের তালা ভেঙে তিনি জরুরি বিভাগে চিকিৎসা শুরু করেন ।

তবে এখনও কয়েকটা প্রশ্ন থেকে যায় ..?

১) অধিকারি বাবুর এই দায়িত্ব-জ্ঞানহীন কাজের জন্য BMOH ও স্বাস্থ্যদফতর কি শাস্তি ধার্য করবেন.?

২) সাধারণ মানুষ অর্থাৎ রুগীদের হয়রানির দায়িত্ব কার.?

৩) রাত্রে প্রয়োজনীয় গ্রুপ ডি কর্মী ও অন্যান্য স্ট্যাফ থাকা সত্বেও তারা কেউ কেন তালা বন্ধ করার বিষয় লক্ষ করলোনা বা কেউ বাধা কেন দেয়নি.??

৪) চিকিৎসক ও চিকিৎসার অভাবে ভুকতে হবে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এসে সাধারণ মানুষ আর কতদিন এই ধরনের দুর্ভোগ সহ্য করবে.?

প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পুরো জরুরি বিভাগ তালা বন্ধ প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পুরো জরুরি বিভাগ তালা বন্ধ Reviewed by Dhuliyan City on 10:28 Rating: 5

পুলিশের তৎপরতায় তিনদিন পর উদ্ধার হল নিখোঁজ কিশোর।

ফরাক্কা-: ৫সেপ্টেম্বর : পুলিশের তৎপরতায় তিনদিন পর উদ্ধার হল নিখোঁজ কিশোর। তবে এখনও উদ্ধার হয়নি বছর পনেরোর ওই কিশোরের সঙ্গে থাকা মোটর বাইকটি। মাদক খাইয়ে দুস্কৃতীরা বাইকটি নিয়ে পালায় বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। এদিকে এখনও মাদকের নেশা না কাটায় অসংলগ্ন কথা বলায় পুলিশ ওই কিশোরের গতিবিধি জানতে পারেনি। ফরাক্কা থানার ভবানীপুরের বাসিন্দা নিখোঁজ কিশোরের নাম মহম্মদ শাহরুখ। ফরাক্কা থানার IC উদয়শঙ্কর ঘোষ বলেন, “পুলিশ সঠিক পথে তদন্ত চালাচ্ছে। খুব শিগগিরই বাইকটি উদ্ধার করা হবে।”
ইদের দিন গ্রামের ঘোষ পাড়ায় এক পরিবারে খাবার পৌঁছে দিতে গিয়ে আর ফেরেনি মহম্মদ শাহরুখ। মোটর বাইক নিয়ে সে খাবার দিতে গিয়েছিল। সন্ধ্যা পর্যন্ত না ফেরায় ফরাক্কা থানায় পরিবারের তরফে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ আজ বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ওই কিশোরকে অর্জুনপুরের মাঠ থেকে অস্বাভাবিক অবস্থায় উদ্ধার করে।

সূত্রঃ পুষ্পপ্রভাত

পুলিশের তৎপরতায় তিনদিন পর উদ্ধার হল নিখোঁজ কিশোর। পুলিশের তৎপরতায় তিনদিন পর উদ্ধার হল নিখোঁজ কিশোর। Reviewed by Dhuliyan City on 00:35 Rating: 5

২৩ টি প্যাকেটে মোড়া গাঁজার পেটি উদ্ধার ফারাক্কা

বহরমপুর ৩ সেপ্টেম্বর :- গত কাল (০৩.০৯.১৭) আনুমানিক ১২:০০ টার সময় গোপন সুত্রে খবর পেয়ে ষ্পেশাল অপরেশন গ্রুপ (SOG) এবং ফারাক্কা থানার পুলিশ যৌথ ভাবে ফারাক্কার বল্লালপুর রেল ব্রীজের কাছে বহরমপুর গামী একটি ট্রাক (WB 91/0302) কে আটক করে এবং ওই ট্রাকটি তল্লাশি করে ২৩ টি প্যাকেটে মোড়া গাঁজার পেটি উদ্ধার করা হয়,
যার ওজন ৩০৫ কেজি ৭৮০ গ্রাম। ড্রাইভার ও খালাসীকে গ্রেফতার করা হয়। ড্রাইভারের নাম জিয়ারুল সেখ এবং খালাসীর নাম সাহেব সেখ, দুজনেরই বাড়ি নবগ্রাম থানার মুকুন্দপুর গ্রামে। তাদের জিজ্ঞাসা করে জানা যায় যে ওই বিপুল পরিমান গাঁজা তারা কোচবিহারের তুফানগঞ্জ থেকে সংগ্রহ করে আনছিল এবং মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গার গাঁজা কারবারীদের কাছে পৌছে দিয়ে আসতো।
দু-জন গাঁজা কারবারীর নাম তারা পুলিশকে জানিয়েছে এবং তাদের খোঁজে পুলিশ মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশী করছে।
ঊদ্ধার হওয়া গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং ওই ড্রাইভার, খালাসী এবং তাদের অন্যান্য সহযোগীদের বিরুদ্ধে ফারাক্কা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে.

সূত্রঃ murshidabad District police
২৩ টি প্যাকেটে মোড়া গাঁজার পেটি উদ্ধার ফারাক্কা ২৩ টি প্যাকেটে মোড়া গাঁজার পেটি উদ্ধার ফারাক্কা Reviewed by Dhuliyan City on 20:02 Rating: 5

নিষিদ্ধ ঔষুধ আটক ফারাক্কা থানা

ধুলিয়ান ২৫ আগস্ট :- ফারাক্কা বাস ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা থেকে ২৪০০ বোতল ফেন্ডি ডিল সহ ১ টি গাড়ি আটক করে, ফারাক্কা থানার পুলিশ , গাড়িটি ৩৪ নং জাতীয় সড়ক সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘ্য ক্ষন দাড়িয়ে থাকতে দেখে পুলিশের সন্ধেও সহ, পুলিশ গাড়ি টিকে আটক করে, গাড়ির মধ্যে থেকে ফেন্সিডিল উদ্ধার হয়, তদন্ত শুরু করেছে ফারাক্কা থানার পুলিশ।

সূত্রঃ ntvwb

নিষিদ্ধ ঔষুধ আটক ফারাক্কা থানা নিষিদ্ধ ঔষুধ আটক ফারাক্কা থানা Reviewed by Dhuliyan City on 03:05 Rating: 5

ফের চুল খসে পড়া নিয়ে চাঞ্চল্য ( মহাদের নগর নিমতাল )

ধুলিয়ান ২৩ আগস্ট : মুর্শিদাবাদের ফরাক্কায় চুল কেঁটে নেওয়াকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়াল। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সকালে ফরাক্কা মহাদেব নগর নিমতলা গ্রামে। সকালে বালিশে উপর মাথার চুল পড়ে থাকতে দেখে কহিনুর বিবি অসুস্থ হয়ে পরে। পরিবারের লোকজন তাকে ধুলিয়ান অনুপনগর প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করে। চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেন। কহিনুর বিবি জানান, মঙ্গলবার রাতে নটার সময় খাবার খেয়ে পাঁচ বছরের মেয়েকে নিয়ে ঘড়ে ঘুমিয়ে পরি। সকালে ঘুম ভেঙ্গে দেখি বালিসের উপর মাথার একগুচ্ছ চুল পরে আছে।
বেশ কয়েকদিন ধরে ঘড়ের মধ্যে থাকতে ভয় ভয় লাগত। স্বামী ভীন দেশে কাজে সুত্রে বাইরে থাকে। এই ঘটনা ঘটার পর সকাল থেকে শরীর খারপ করতে লাগে। মেয়েকে নিয়ে বাড়িতে থাকবো কি ভাবে সেই নিয়ে চিন্তায় পড়ে আছি। এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। গ্রামবাসীরারা ছুটে আসে এই অলৈকিক ঘটনা সচোখে দেখতে। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য পরেশ পপাইন বলেন, সকালে ঘটনাটি শুনেছি প্রথমে বিশ্বাস করিনি। এখানে এসে দেখছি সত্যিই চুল কেঁটে পরে আছে। এর পেছনে কি রহস্য আছে তা বোঝা যাচ্ছেনা। তবে এই নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরে গ্রামে একটা আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আমরা মনে হচ্ছে পোকায় মাকড়ে চুল কেঁটেছে। গ্রামের মেম্মার হিসাবে প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি গ্রামে বিজ্ঞানমঞ্চের সদস্যরা এসে মানুষকে সচেতন করুক। স্থানীয় গ্রামবাসী মহম্মদ জাকির হোসেন জানান, সকালে খবর পেয়ে এখানে ছুটে এসে দেখি মহিলার চুল কেঁটে পড়ে আছে। বেশ কয়েকদিন ধরে এই চুল কাঁটার আতঙ্ক গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রামের মহিলারা সন্ধ্যার পর বাড়ির বাইরে বেরাছে না। কিন্তুু বাড়ির দরজা লাগানো থাকা সত্ত্যেও কিভাবে চুল কাঁটা হল এই খবর গ্রামে ছড়াতে এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। আমার তো মন হচ্ছে এটা কোন ভৌতিক কারন। আমি চায় এই ব্যপারে প্রশাসন হস্থক্ষেপ করুক। এপ্রসঙ্গে ফরাক্কার বিডিও কেশাঙ্গ ডেন্ডুপ ভুটিয়া জানান, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। প্রয়োজন হলে গ্রামবাসীদের আতঙ্ক দুর করতে গ্রামে বিজ্ঞানমঞ্চের সদস্যদের পাঠানো হবে।
সূত্রঃ ntvwb
ফের চুল খসে পড়া নিয়ে চাঞ্চল্য ( মহাদের নগর নিমতাল ) ফের চুল খসে পড়া নিয়ে চাঞ্চল্য ( মহাদের নগর নিমতাল ) Reviewed by Dhuliyan City on 09:22 Rating: 5

জাতীয় সড়কে নিয়ন্ত্রণ হীন লরি । জিগরী মোড়

ধুলিয়ান ১৩ আগস্ট : ফারাক্কা ,জিগরীমোড় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে এক লরি নিয়ন্ত্রণ হারায় । আজ সকাল ৫ টা নাগাদ ঘুমন্ত অবস্থায় একটি লরি চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি চায়ের দোকানে সংঘর্ষ হয় পার্শে থাকা ,৩ টি আটো,১টি টোটো ও ৫টি সাইকেলর সাথে চায়ের দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয় । স্থানীয় বাসীদের কাছ থেকে জানা যায় বহরমপুর থেকে মালদা গামী লরিটি দ্রুত গতিতে ছুটে আসে, হঠাৎ করে দেখি লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চায়ের দোকানের দিকে ছুটে আসে । সে দেখে চা ব্যাবসায়ী ও চা ক্রেতারা ছুটে পালায় । সেই মুহূর্তে লরিটি চায়ের দোকানের সাথে সংঘর্ষে হয় । কেই আহত হয়নি ,স্থানীয় বাসী অকাদ শেখ বলেন সময় মত আমরা পালিয়ে আমাদের যান বাঁচিয়েছি । বড়সড় একটা দুর্ঘটনা সম্মুখীন থেকে । জাতীয় সড়কে থাকা সাধারণ মানুষ ছুটে যায় লরি চাকলকে দিকে ,লরি চালক সমান্য আহত হয় । স্থানীয়রা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, রাত্রি জেগে লরি চালানোর ফলে চালকের ঘুম আসে তাঁর জেরে লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারায় । পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনা স্থানে পৌঁছায় ।

জাতীয় সড়কে নিয়ন্ত্রণ হীন লরি । জিগরী মোড় জাতীয় সড়কে নিয়ন্ত্রণ হীন লরি । জিগরী মোড় Reviewed by Dhuliyan City on 01:12 Rating: 5

দারিদ্রতার সাথে লড়াই করে মেডিক্যালে ৭১৬ র‍্যাঙ্ক করে রাতারাতি অজপাড়া গ্রামের শুকচাদ মন্ডল ফারাক্কাবাসীর নজর কাড়ল।

ধুলিয়ান ২৬ জুলাই :- ফরাক্কা :দারিদ্রতার সাথে লড়াই করে মেডিক্যালে ৭১৬ র‍্যাঙ্ক করে রাতারাতি অজপাড়া গ্রামের শুকচাদ মন্ডল ফারাক্কাবাসীর নজর কাড়ল।, এককথায় ভাঙা ঘরে চাদের আলো। ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরনে অর্থনৈতিক সংকট পথের কাটা হয়ে দাঁড়ায় শুকচাদের।খবর পেয়ে মেধাবী ছাত্রের পাশে এসে দাড়ালেন ফরাক্কার বিশিষ্ট সমাজসেবি অরুনময় দাস। বুধবার সকালে গঙ্গার পুর্বপাড়ে অবস্থিত বিচ্ছিন্ন গ্রাম হোসেনপুর গ্রামের শুকচাদের বাড়ি ছুটে যান অরুনময় দাস। ভাঙা ঘরের অবস্থা দেখে অরুনময় বাবু মেধাবী ছাত্রের মেডিক্যাল পড়াশুনার সমস্ত দায়িত্বভার নিজ কাধে তুলে নিলেন। তিনি শুকচাদের পড়াশুনার জন্য একটি এনড্রয়েড মোবাইল ফোন, নগদ দশ হাজার টাকা ও পড়াশুনার জন্য যাবতীয় পুস্তক কিনে দেবার আশ্বাস দিলেন। পাশাপাশি মেধাবী ছাত্রের পড়াশুনার জন্য যাবতীয় খরচ বহন করবেন বলে জানান তিনি। ফরাক্কা ব্লকের বেনিয়াগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত। গঙ্গা নদী এই পঞ্চায়েতকে দ্বিখণ্ডিত করেছে। গঙ্গার পূরব পাড়ে এই হোসেনপুর গ্রাম। স্থানীয় বাসিন্দা গোপাল মন্ডল। বছর তেরো ন আগে কুলিদিয়ারে বাস ্করতেন। গঙ্গাগর্ভে গোপাল মন্ডলের বাড়ি তলিয়ে যায়। স্ত্রী ও পাচ ছেলেমেয়ে কে নিয়ে চলে আসেন হোসেনপুরে। কোনোক্রমে চাটাই ও টিন দিয়ে বসবাস শুরু করেন। অভাব অনটনের মধ্যেও গোপালবাবু পাচ ছেলেমেয়েকে নিয়ে স্কুলে ভর্তি করেন। চাষবাস তার একমাত্র পেশা। স্ত্রী মাধবি বিড়ি বেধে যা আয় করেন তাতে সাতজনের দু বেলা অন্ন জটানো দুস্কর। ছেলেমেয়েদের মানুষ করার স্বপ্ন নিয়ে দাদনে মুম্বাই পাড়ি দিয়েছেন বছর কয়েক আগে। গোপাল বাবুর বড় ছেলে অভাব অনটনের মধ্যে জয়েন্টে সারা দেশের মধ্যে ৭১৬ র‍্যাঙ্ক করে মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ পান। সন্তানের এই কৃতিত্বে গবিত মন্ডল দম্পতি। ছেলেকে পড়াশুনা করাতে যেটুকু জমি অবশিষ্ট ছিলো তা চড়া সুদে বন্দুক রাখা আছে এক প্রতিবেশির কাছে। ছেলেকে ডাক্তার করার জন্য যা অর্থ প্রয়োজন তা কোনোভাবেই জোগাড় করা সম্ভব নয়। চিন্তিত হয়ে পড়েন মন্ডল দম্পতি। দরিদ্র ছেলের অসামান্য সাফল্যের কথা কানে গিয়ে পৌছায় সমাজসেবি অরুনময় দাসের। তিনি ছুটে যান প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপেক্ষা করে শুকচাদের বাড়ি। তার বাড়ির পরিবেশ দেখে হতবাক হয়ে পড়েন তিনি। অরুনময়বাবু জানান, ভাবতে অবাক লাগছে এত দারিদ্রতার সাথে লড়াই করে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন শুকচাদের মাঝ পথে থেমে যাক তা মেনে নিতে পারলাম না। শুকচাদের মেডিক্যাল পড়ার যাবতীয় খরচ বহন করবো। তিনি শুকচাদকে প্রাথমিক ভাবে একটি এন্ড্রয়েড ফোন ও দশ হাজার টাকা তুলে দেন। মাধবী দেবিকে আশ্বাস্ত করলেন শুকচাদের ডাক্ত্রার হওয়ার স্বপ্নভার তিনি নিজ কাধে তুলে নিলেন। অরুনবাবু ফারাক্কার নুরুল হাসান কলেজে কেরানীর পদে কর্মরত।। অরুন বাবুর সহযোগীতায় খুশি মন্ডল দম্পত্তি। শুকচাদ জানান, বাবা সংসার চালাতে হিমসিম খাচ্ছিলেন। চাষবাস তেমন হতো না। বাধ্য হয়ে দাদনের কাজে মুম্বাই চলে যায়। মেডিক্যালে সুযোগ পেয়ে আমি দারুন খুশি। কিন্তু খরচ বহন করা পরিবারের কাছে খুব কষ্টকর। অরুনবাবুর সহযোগীতায় ডাক্তার হওয়ার সুযোগ হতে চলেছে। মাধবীদেবী জানান, ছেলে ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পেয়েছে। সতি ভালো লাগছে। গরীব মানুষের যেখানে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। সেখানে ডাক্তারি পড়ার খরচ সামলানো মোটেই সম্ভব নয়। অরুনবাবুর মতো হৃদয়বান মানুষেরা শুকচাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে আসায় আজ আমি মা হিসাবে গর্ববোধ করছি। ফরাক্কার বিডিও কেশাং ডেন্ডুপ ভুটিয়া জানান, বিষয়টি জানানছিলনা। শুকচাদের পড়াশুনার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা সব রকম সহযোগীতা করবো।

সূত্রঃ- Sahajad Hossain

দারিদ্রতার সাথে লড়াই করে মেডিক্যালে ৭১৬ র‍্যাঙ্ক করে রাতারাতি অজপাড়া গ্রামের শুকচাদ মন্ডল ফারাক্কাবাসীর নজর কাড়ল। দারিদ্রতার সাথে লড়াই করে মেডিক্যালে ৭১৬ র‍্যাঙ্ক করে রাতারাতি অজপাড়া গ্রামের শুকচাদ মন্ডল ফারাক্কাবাসীর নজর কাড়ল। Reviewed by Dhuliyan City on 04:18 Rating: 5
Powered by Blogger.